চট্টগ্রামে আত্মহত্যা করা চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতু জিজ্ঞাসাবাদে ‘গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর’ তথ্য দিয়েছেন পুলিশকে।
তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মিতু বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তার দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে আদালতে অবহিত করা হয়েছে।

তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার দুপুরে মিতুকে আদালতে সোপর্দ করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার মিতুকে জিজ্ঞাসাবাদের বিভিন্ন তথ্য সাংবাদিকদের জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চান্দগাঁও থানার এসআই আবদুল কাদের।

এদিন তিনি বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিন মিতু বিয়ের পর বিভিন্ন জনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কথা জানালেও শারীরিক সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন।

দেশে ডা. মাহাবুবুল আলম নামের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের এক বয়ফ্রেন্ডর সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছিল মিতু।

এছাড়া শোভন নামে চুয়েটের এক ছাত্রসহ একাধিক ছেলে বন্ধু থাকার কথা স্বীকার করলেও এদের সঙ্গে শুধুই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কথা জানিয়েছে পুলিশকে।

মিতু বলেন, শোভনের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিলো, অন্যকিছু নয়।



এঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলা হলেও এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র মিতুকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক ৫ আসামির মধ্যে মিতুর পিতা আনিসুল হক চৌধুরী ও মিতুর বয়ফ্রেন্ড ডা. মাহাবুবুল আলম দেশে আছেন। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে মিতুর মা শামীমা শেলী, ছোট বোন সানজিলা হক চৌধুরী আলিশা এবং উত্তম প্যাটেল আমেরিকায় অবস্থান করছেন।

News Page Below Ad