এ বছরের জানুয়ারিতে গৃহকর্মীর প্রশিক্ষণ শেষ করেন সুমি। ৩০ মে ‘রূপসী বাংলা ওভারসিজ’ এর মাধ্যমে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স (এসভি) ৮০৫ যোগে সৌদি যান। সেখানে যাওয়ার পর সব সময় স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার ওপর হওয়া নির্যাতনের ঘটনা বলতেন। দালালরা বিদেশে পাঠানোর কথা বলে যে বিক্রি করে দিয়েছে সে কথা জানতেন না সুমি। সৌদি যাওয়ার সপ্তাহখানেক পর থেকে শুরু হয় তার ওপর মারধর, যৌন হয়রানিসহ নানা নির্যাতন।


সৌদি আরবে কাজের আশায় গিয়ে নির্যাতনের শিকার সুমি আক্তারকে ফেরাতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। সম্প্রতি সুমির কান্নাজড়িত একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তার ওপর পাশবিক নির্যাতনের বর্ণনা দেন বতিনি। এরপরেই এই ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ এলো। প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাড়া দিয়েছেন। সংবাদটি রিয়াদে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মিশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাকে নিয়ে আসার জন্য। সুমি আক্তার পঞ্চগড় জেলার বোদা সদর থানার রফিকুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে আশুলিয়ার চারাবাগের নুরুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

ভিডিওতে বলেন, আমি আমার সন্তান ও পরিবারের কাছে ফিরতে চাই। আমাকে আমার পরিবারের কাছে নিয়ে যান। এখানে আমার ওপর অনেক নির্যাতন হয়। আর কিছুদিন থাকলে হয়তো মরেই যাবো। তাই প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ আপনারা আমাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যান।
সুমির কান্নার ভিডিও

News Page Below Ad