এক্সি’ম ব্যাংকের এম,ডি ও অতিরিক্ত এমডির অপ’হরণ এই ঘটনাটির উৎপত্তি রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীর ১১ নম্বর সড়কের সিকদারহাউসে বিগত ৭ই মে। সিকদার গ্রুপের এমডি এক্সিম ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ চেয়ে সময়মতো না পাওয়াতেই আ’টক করে সিকদার হাউজে নিয়ে আসেন ব্যাংকের দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে আর তারপরে তাদের উপর চালান অমানুষিক অত্যাচার।


সিক’দার গ্রুপের এমডি এক্সিম ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ পেতেআবেদন করেন এই জন্য ৭ মে বেলা ১১টায় এক্সিম ব্যাংকের গুলশানের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হন প্রতিষ্ঠানটির এমডি রন হক সিক’দার।


তিনি ব্যাংকটির এমডি ও অতিরিক্ত এমডিকে ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে রূপগঞ্জের আদি নওয়াব আসকারি জুট মিল পরিদর্শনে নিয়ে যান। কিন্তু পরিদর্শনে গিয়ে জামানত হিসেবে ওই সম্পত্তির বন্ধকি মূল্য নথিপত্রে দেখানো মূল্যের চেয়ে কম উল্লেখ করেন ব্যাংকটির এমডি ও অতিরিক্ত এমডি । এরপরে রন হক সিকদার করেন ব্যাংকটির এমডি ও অতিরিক্ত এমডিকে বলেন তাঁদের পূর্বাচলের ‘আই’কন টাওয়ার’ পরিদর্শনে যেতে, কিন্তু টাওয়ার পরিদর্শনে গিয়ে ব্যাংকের এমডি ও অতিরিক্ত এমডি কাউকে না পেয়ে ঢাকার দিকে আসার সময় পথে তাদের গাড়ি থামিয়ে এক্সি’ম ব্যাংকের এমডির উপর গুলি চালান রন সিকদার। পরে তাদের গাড়িতে আটক করে নিয়ে আসেন বনানীর সিকদার হাউসে,সেখানে তাদের উপর চলে সিনেমা স্টাইলে অত্যা’চার।

প্রত্যক্ষ’দোষীদের মতে, এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে সিকদার হাউসের ৩য় তলায় নেওয়া হয়,এরপর তাঁদের নিরাপত্তাকর্মীর পাহারায় বসিয়ে নানাভাবে ভয়ভীতি আর শাসানো হয়। এরপর রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদার ব্যাংকটির এমডির কাছে একটি সাদা কাগজে জোর করে স্বাক্ষর আদায় করার চেষ্টা করেন।স্বাক্ষর না করলে টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতন চালানো হবে বলে তাদের হুমকি দেওয়া হয়। আর এই স্বাক্ষরের সাক্ষী রাখা হয় অতিরিক্তএমডিকে। আটক রাখার পর বিকালে ছেড়ে দেয়া হয় তাদের।


পুরো বিষয় নিয়ে এক্সি’ম ব্যাংকের এম’ডি ও অতিরিক্ত এম’ডিকে
জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জানান এই বিষয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ তারা।

পুলিশ মারফত জানা যায়, এই ঘটনার একটা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামী সিকদার গ্রুপের এমডি পলাতক আছেন।এই নিয়ে ব্যাংকারদের মহলে ঝরছে তীব্র নিন্দা।

সুস্থ সুন্দর কর্মক্ষেত্রের জন্য এই ঘটনার যাতে বিচার হয় এই দাবি এখন ব্যাংকারদের বিভিন্ন মহলের ।

News Page Below Ad