করোনাভাইরাস মহামারীতে বিদেশী ক্রেতারা পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ না করে যদি ‘ডিসকাউন্টের’ দাবি তুলেন তবে তাদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক।
ইউরোপ-আমেরিকায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার বড় বড়কোম্পানিসমূহ একে একে অর্ডার বাতিল ,স্থগিতের পর আবার এখন মহামারির আগেই হাতে পাওয়া পোশাকের মূল্যহ্রাসের দাবি জানাচ্ছে। এইমূল্যহ্রাসের দাবি তোলা নিয়ে রুবানা হক গত বৃহস্পতিবার বলেন, “তৈরিপোশাকের ৮০ শতাংশের বেশি কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়,সেখানে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যহ্রাস চাওয়া হচ্ছে! তিনি আরো উল্লেখকরেন এই শিল্পে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে”।বিজিএমইএর হিসাবে, মহামারী শুরুর পর থেকে দেশের ১১৫০টি কারখানারতিন দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্থগিত করেছেন ক্রেতারা! যেখানে এই খাতে বার্ষিক রফতানি পরিমাণ প্রায় ৩৩ থেকে ৩৪ বিলিয়ন ডলার।


সভাপতি রুবানা হক বিজিএমইর পক্ষ থেকে জানান, ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান বিলয়নেয়ার ফিলিপ ডের এডিনবরা উলেন মিল (ইব্লিউএম) গ্রুপকে গত ২১ মে চিঠি পাঠিয়েছে বিজিএমইএ। ২৫ মার্চের আগে যেসব পণ্য রফতানি করা
হয়েছে, তার পাওনা পরিশোধের জন্য শুক্রবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন তারা।এর মধ্যে টাকা না পেলে মামলার হুমকিও দেয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারী
শুরুর পর বাংলাদেশের অন্তত আটটি কারখানার আট মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের ক্রয়াদেশ বাতিল করেছে ইডব্লিউএম। এর মধ্যে রয়েছে রিভার সাইড স্যুয়েটার, স্কাইলাইন অ্যাপারেল, সাউদার্ন ক্লথিং, সাউদার্ন ডিজাইনার্স
ও স্টিচওয়েল ডিজাইন। চুক্তি ভঙ্গ করে এভাবে অনৈতিক ডিসকাউন্টের দাবি করা প্রতিষ্ঠানসমূহের তালিকা করছে বিজিএমই। এছাড়াও গার্মেন্টসসমূহের

সাথে চূক্তির বরখেলাপ করা বড় বড় প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আইনানুগ
ব্যাবস্থাও নেয়ার মতোও পদক্ষপে নিতে যাচ্ছেন বিজিএমই।
সভাপতি আরো জানান তারা, কোম্পানি গুলো থেকে উত্তর পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন’

News Page Below Ad