অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) ডাক
অধিদপ্তরে সব থেকে পুরনো সঞ্চয় স্কিমের বিনিয়োগসীমা তিন ভাগের দুইভাগ কমিয়ে বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।


নতুন এই প্রজ্ঞাপনে অনুসারে এখন ডাকঘর সঞ্চয় কর্মসূচিতে একক
নামে বিনিয়োগ করা যাবে সর্বাধিক ১০ লাখ টাকা যা কিনা আগে ছিল ৩০লাখ টাকা। এছাড়াও যুগ্ম নামে বিনিয়োগের ৬০ লাখ টাকা থেকে এখন কমিয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।


আইআরডি সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম এক ব্রিফিং এ বলেছেন,‘এই সঞ্চয় স্কিম নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এছাড়াও অনেক প্রতিষ্ঠান এখানে অর্থ জমা করছে ।টাকার তারল্যতার জন্য তাই তাদের এই উদ্যোগ’মূলত মধ্যবিত্ত, অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী ও নারীরাই সাধারণত এস্কিমের আওতায় আমানত রাখেন। এখন এতে আগে এই স্কিমে ১০০ টাকা বিনিয়োগ করতে পারলে এখন নতুন নিয়মে করা যাবে ৩৩ টাকা।

পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুর এর মতে, ‘সার্বিকভাবেসিদ্ধান্তটি ইতিবাচকই হয়েছে। কারণ, সঞ্চয়পত্রে অনলাইন পদ্ধতি চালু করাতে এই স্কিমে বিনিয়োগ বেড়েছে তবে আরও ভালো হতো যদি সঞ্চয়পত্রেও একই ধরনের সিদ্ধান্ত প্রণীত হতো তাতে সরকারের সুদ ব্যয় লক্ষণীয় ভাবে কমতো”মূলত সব শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশি নাগরিকই এতে টাকা রাখতে পারবেন সেই সাথে নাবালকের পক্ষেও টাকা রাখার সুযোগ থাকছে। উভয় হিসাবেই নমিনি নিয়োগ এবং পরিবর্তনের সু্যোগ যেমন থাকছে আবার চাইলে কেউ বাতিলও করতে পারবেন।

সাধারণত সাধারণ হিসাবের ক্ষেত্রে মুনাফার হার সাড়ে ৭ শতাংশ আর তিন বছর মেয়াদি হিসাবের ক্ষেত্রে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ।তবে মেয়াদ পূর্তির আগে ভাঙানোর ক্ষেত্রে এক বছরের জন্য মুনাফা ১০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং দুই বছরের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। যেখানে ১৯৭৪ সালে শুরুতে আমানতে মুনাফার হার ছিল ১০ শতাংশ।

সরকারি ডাটাবেইজ হিসেবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুটি হিসাব মিলিয়ে দেখা যায় আমানত হয়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা ,তবে মুনাফার হার ভালো বেশী হওয়ায় সঞ্চয়পত্রের তুলনায় এ স্কিমের প্রতি মানুষের আগ্রহ ক্রমশ বেড়েছে। আর একারনে সরকারের এই স্কিমে যত বেশি টাকা রাখবে মানুষ, তত বেশি সুদ দিতে হবে! এছাড়াও এখন পর্যন্ত এই স্কিমের আওতায় আমানতের মুনাফার হার মোট ১৬ বার পরিবর্তিত হয়েছে।

News Page Below Ad