আমাদের পৃথিবী যেমন আজব বৈচি/ত্রে ভ/র/পুর তেমনি এখানে ঘটা বিভিন্ন ঘটনাগু’লিও মাঝেমধ্যেই আ/জ/ব ধ/র/ণের হয়। আপনারা তো লা/ভস্টোরি অনেক ধরণের শুনে থাকবেন বা দেখেও থাকবেন,কিন্তু আজ আপনাদের এমন এক লাভ/স্টো/রির কথা বলবো যেখানে এক মহিলা একজন ভি/খারিকে বিয়ে করে নেন। স্ত্রী’ রোজ তার স্বামীকে অফিসে নিয়ে যাওয়ার জন্য টিফিন বা/নিয়ে দিতেন এবং স্বামী সেই টিফিন নিয়েও যেত।

সবচেয়ে অ’বাক করা ব্যাপার হল স্ত্রী’ তিনমাস ধরে স্বামীর জন্য টিফিন বানিয়ে দিতেন, আর স্বামী সেই টিফিন রোজ ফাঁ/কা করেই বাড়ি ফিরতো। এই ব্যাপারে স্ত্রী’-রও একটু স’ন্দেহ হত, স্বামীকে যাই টিফিন বানি/য়ে দিত না কেন, সে কোনদিন বাড়ি ফিরে কোনো অ’ভিযোগ করতো না।স্বামীর এরকম আ/চ/রণ দেখে স্ত্রী’ যতটা না হ/ত/চকিত হয় তার চেয়ে অনেক বেশি হত/চ/কিত হয় স্বামী তার স্ত্রী’র কা/ণ্ড দেখে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সম্পূর্ণ ঘটনা এক মহিলা তিন মাস ধরে তার স্বামীকে রোজ সব্জির টিফিন বানিয়ে দিত আর স্বামীও তিন মাস ধরেই সেই টি/ফিন খালি করেই অফিস থেকে বাড়ি ফিরতো।

কোনোরকম অ/ভিযোগ না করে রোজ রোজ খালি টিফিন বাড়ি নিয়ে আসায় মহিলার স’ন্দেহ হয়, তাই সে একদিন তার স্বামীর পিছু করে। তারপর সে দেখতে পায়, তার স্বামী সেই টিফিন অফিসে না নিয়ে গিয়ে সেখানেই বসে থাকা এক ভিখারীকে রোজ দিয়ে দেয়।

এইসব ব্যাপার দেখে নেওয়ার পর মহিলা একদিন তার স্বামীকে হাতেনাতে ধরে এবং সেইদিনই ভিখারীটির সাথেও দেখা করে। ভিখারীর সাথে দেখা করার পর আশ্চর্যজনকভাবে ভিখারীটি ওই মহিলাকে চিনতে পেরে যায়, এরপর প্রকাশ নামের ওই ভিখারী মহিলাকে দু তিনটে ছোটোবেলার শায়েরি শোনায়।তারপর মহিলাও সেই ভিখারীকে চিনতে পারে কারণ তারা ছোটোবেলায় একে অ’পরকে ভালোবাসতো আর মে’য়েটির বিয়ে হয়ে যাওয়ার কারণেই তারা একে অ’পরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর আর কি, পুরনো প্রে’ম খুঁজে পেলে দুনিয়ার অনেক কিছুই ভুলে যাওয়া যায়।

এর দু দিন পর মহিলা তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে সেই ভিখারীকে বিয়ে করে নেন, যে তার ছোটোবেলার প্রে’মিক ছিল। এরপর দুজনে মন্দিরের বাইরে বসে ভিক্ষা করতে শুরু করে। আপনি কখনো এরকম অদ্ভুত প্রে’ম কাহিনী শুনেছেন যে, কোনো মে’য়ে তার বড় বাড়ি, ঘর সংসার ছেড়ে মন্দিরের বাইরে ভিক্ষা চাইতে শুরু করে।

News Page Below Ad