প্রযু/ক্তির এই যুগ জী/ব/নযাত্রাকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে।অল্প কথা অনেক কাজ সারা যায়, ইঙ্গিতে একটি পূর্ণ বাক্যের কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়।সো/শ্যাল মি/ডিয়া যোগা/যো/গকে করে দিয়েছে অনেকটাই সহজতর। ফেসবুকে এখন অনেককিছুই সং/ক্ষেপে বলা যায়।তেমনই একট্টি পদ্ধতি ইমো/জি।এই ইমোজির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হাসির সাইন। কেউ যদি কোনো পোস্টে হাসি দিতে চান সেক্ষেত্রে নির্দিষ/ত সাইন ব্যবহার করলে তা হয়ে যায়।এটিকে সোশ্যাল মিডিয়া ফে/সবুকে বলা হয় হা হা রিয়েক্ট।এই রিয়েক্ট বা প্রতিক্রি/য়া নিয়ে কথা কথা বলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
এক ভিডিওতে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, আজকাল সোশ্যা/ল মিডিয়া/য় কেউ কোনো পোস্ট বা কমেন্ট করলে তাকে তা/চ্ছি/ল্য ও বিদ্রূপ করার জন্য আমরা হা হা রিয়েক্ট দিয়ে থাকি।যদি শুধু মজা বা রসি/কতা করে এমন রিয়েক্ট দিয়ে থাকি এবং যার পোস্টে করছি, তিনি নিজেও এটিকে মজার ছ/লে নেন, তা হলে সেটি ভি/ন্নকথা কিন্তু যদি এর দ্বারা উদ্দেশ্য হয়ে থাকে পোস্টদা/তা/কে তাচ্ছি/ল্য বা বিদ্রূ/প করা, তা হলে এটি হা/রা/ম ও সম্পূর্ণ না/জা/য়েজ একটি কাজ।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুরা হুজরাতে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন অন্য কাউকে নিয়ে বিদ্রূ/প না করে, ঠাট্টা না করে।

এই ধর্ম বি/শ্লে/ষক বলেন, আল্লা/হ/তায়ালা মুসল/মানদের ইজ্জত, সম্মান ন/ষ্ট করা আমাদের জন্য হারা/ম করে দিয়েছেন।নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজে বলেছেন,এই জায়গা, এই মাস, এই সময়টা যেমন আল্লাহর কাছে সম্মানি/ত তেমনি আল্লাহতা/য়া/লার কাছে মানুষের ইজ্জতও স/ম্মা/নিত।কাউকে কোনোভাবে তাচ্ছিল্য বা বিদ্রূ/প করা ঠিক না।

তিনি বলেন, আজকাল ফেসবুকে হা হা রিয়েক্ট দেওয়া বা বি/দ্রূ/প করা একটা নর/মা/ল বিষয় হয়ে দাঁড়ি/য়ে/ছে।যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখেন, যারা আখি/রাতে বিশ্বাস রাখেন,যারা বান্দার প্রতিটি বিষয়ের জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদি/হি করতে হবে এ বিশ্বাস রাখেন, তারা বিদ্রূপাত্ম/ক/ভা/বে কোনো পোস্টে হাহা রিয়েক্ট দিতে পারেন না।আমরা কিন্তু এটিকে দো/ষ/ণীয় মনে করি না, মনে করি— এটি ফেস/বু/কীয় একটি বৈধ কাজ।রুটিন ওয়া/র্ক/ও মনে করেন অনেকে।

সকলের প্রতি অনু/রো/ধ করে বলেন, প্রিয় ভাই ও বন্ধুরা আল্লাহর ওয়াস্তে হা/তজোড় করে অনু/রো/ধ করছি,এই কাজটি থেকে ফিরে আসুন।কাউকে নিয়ে বিদ্রূ/প করে কোনোভাবে হাহা রি/য়ে/ক্ট দেবেন না।একজন ইমা/ন/দারকে আপনি ক/ষ্ট দিলেন,জবাবে তিনি হয়তো এমন কিছু বললেন যা গ্রহ/ণ/যোগ্য নয়।সম্ভব হলে সুন্দর, মা/র্জি/ত, যুক্তিনির্ভর ভাষায় আপনি তার খণ্ডন করুন,তাকে বোঝার চেষ্টা করুন, সেটি যদি সম্ভব না হয়, আপনি এড়িয়ে যান কিন্তু তাকে নিয়ে বি/দ্রূ/প করে তাকে হাসির পাত্র বানিয়ে আপনি নিজে গুনা/হ/গার হচ্ছেন।

News Page Below Ad